বিজেপি নেতাদের কার কত সম্পত্তি বেড়েছে সেই বিতর্কে যাচ্ছি না। বিজেপি, তৃণমূল, সিপিএম ও কংগ্রেস নেতাদের কার কত সম্পত্তি বেড়েছে তার তদন্ত করুক ইডি। তাহলেই সব স্পষ্ট হয়ে যাবে'। বললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।
পাশাপাশি তৃণমূলকে খোঁচা দিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন,' ফিরহাদ হাকিম-সহ তৃণমূল কংগ্রেসের তিনজন নেতাদের মতো আমরা আদালতে গিয়ে বলব না কেন সম্পত্তি বৃদ্ধির তদন্ত ইডি করবে।
আমরা চাই সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতাদের সম্পত্তি বৃদ্ধির উত্স খুঁজে বের করতে এ ব্যাপারে তদন্ত করুক এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আমরা তৃণমূল নেতাদের মতো তদন্তে বাধা দেব না। আমি চাই ইডি আমার সম্পত্তির বিষয়েও তদন্ত করে দেখুক'। প্রসঙ্গত, আয়ের সঙ্গে সম্পত্তির কোনও সামঞ্জস্য নেই। কয়েক বছরে সম্পত্তির পরিমাণও বেড়েছে সাইক্লোনের গতিতে। রাজ্যের এমনই ১৭ সাংসদ, বিধায়কের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল আদালতে।
এ দিন যাঁদের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের হয়েছে, তাঁদের অধিকাংশই ভারতীয় জনতা পার্টি অর্থাত্ বিজেপির সাংসদ বা বিধায়ক, বাকিরা বামফ্রন্টের। এ দিন যাঁদের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে, তাঁরা হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, শিশির অধিকারী, দিব্যেন্দু অধিকারী, লকেট চট্টোপাধ্যায়, দিলীপ ঘোষ, সৌমিত্র খাঁ, মনোজ কুমার ওঁরাও, আব্দুল মান্নান, মিহির গোস্বামী, অগ্নিমিত্রা পাল, শমীক ভট্টাচার্য, তন্ময় ভট্টাচার্য, শীলভদ্র দত্ত, বিশ্বজিত্ সিনহা, অনুপম হজরা, মহম্মদ সেলিম, জিতেন্দ্র তিওয়ারী।
সম্প্রতি এসএসসি দুর্নীতি এবং গরু পাচার মামলায় ইডি এবং সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের দুই হেভিওয়েট নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অনুব্রত মণ্ডল। যা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। শাসক দলের নেতাদের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে প্রতিদিনই সুর চড়াচ্ছেন বিরোধী দলের নেতারা। তার মধ্যেই বিরোধী দলের প্রথম সারির নেতাদের এই বিপুল হারে সম্পত্তি বৃদ্ধি প্রসঙ্গে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা।

No comments:
Post a Comment