ত্রিকোণ প্রেমের জেরে আত্মঘাতী যুবতী।সোমবার এক যুবতীর অস্বাভাবিক মৃত্যকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের হাসপাতাল এলাকায়।মৃতের নাম শম্পা সরকার।খবর পাওয়া মাত্র কালিয়াগঞ্জ থানার পুলিশ।শুরু হয় ঘটনার তদন্ত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , হেমতাবাদ থানার মালনের মিশরো এলাকার বাসিন্দা শম্পা সরকার অ্যাম্বুলেন্সে বিভাগে কাজ করতেই।তবে গত দু'বছর ধরে লিপিকা বর্মন নামে এক সহকর্মী তথা মাসির সঙ্গে থাকত।
এদিন দুপুরে ওই যুবতীর মা বাড়িতে এলে দীর্ঘক্ষণ দরজা না খোলায় ভিড় জমান স্থানীয়রা।দুজনেই একটা ছেলেকে ভালবাসত বলে জানা গেছে। সেই ঘটনার জেরেই এদিন গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে যুবতী।পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় কালিয়াগঞ্জ থানার পুলিশ।
এপ্রসঙ্গে মৃতের মা মমতা সরকার বলেন, 'আমার মেয়ে শম্পার সঙ্গে একটা ছেলের সম্পর্ক ছিল। ওই ছেলেটাই পরে লিপিকা মানে ওই মাসিকে বিয়ে করার কথা বলেছিল।আমি ফোন করছি মেয়েকে, এদিকে ফোন সুইচ অফ বলছে।এখানে এসে ডাকাডাকি করছিলাম কোনও সাড়া দিচ্ছিল না।তারপরে এরকম দেখলাম যে ঝুলছে।

No comments:
Post a Comment